শীতের অলস দুপুরে তিনি এলেন বাড়িতে। উঠে এলেন বারান্দায়, তারপর শুয়েও পরলেন। বাড়ির গৃহকর্ত্রী কেক মুড়ি লাড্ডু খেতেও দিলেন। কিছুটা খেয়ে হাই তুলে আবার শুয়ে পরলেন। এবার গৃহকর্ত্রী ঘর থেকে বালিশ এনে দিলেন তাতে পরম নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পরলেন। এতক্ষন যার কথা বলছি তিনি আর কেউ নন বিশালাকার এক বাঁদর। উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ শহরের উত্তর কলেজপাড়ার বাসিন্দা অলোকা দেবীর বাড়িতে এমনই এক দৃশ্য তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করলেন বাসিন্দারা।
বেলা এগারোটা নাগাদ হাইরোড সংলগ্ন উত্তর কলেজপাড়ায় ঢুকে পরে পূর্ণবয়স্ক এক বাঁদর। না কাউকে কামরানো বা ধাওয়া করা এমন কোনও কিছুই করেনি এই কপিরাজ। বরং এলাকার বাসিন্দারা ভয়ে বাঁদরটিকেই তাড়া করে। এবাড়ি ওবাড়ি ছোটাছুটি করে বাঁদর গেট খোলা পেয়ে ঢুকে পরে অলোকা সরকরারের বাড়িতে। অলোকা দেবীর বাড়িতে ঢুকে উঠে পরে বারান্দায়। বারান্দায় উঠে জিরিয়ে নিতে খানিক শুয়ে পরে কপি মহারাজ। তারপর সটান ঢুকে পরে ঠাকুর ঘরে। কিছুক্ষন বসে থেকে সেখানে রাখা একটি কলাও খায়। উকি মারে রান্নাঘরের দিকেও। শীতের দুপুরে বোধহয় ঘুম ঘুম পাচ্ছিল আবার বারান্দায় উঠে এসে শুয়ে পরে সে। এরপর অলোকা দেবী কিছুটা ভয়েই বাড়ির ছোটদের সরিয়ে দিয়ে তাকে খাবার দাবার দেন। কিছুটা খেয়ে কিছুটা ফেলে দিয়ে আবারও ঘুমের জন্য শুয়ে পরল সে। এরপর অলোকা দেবী একেবারে সন্তান স্নেহে ঘর থেকে বালিশ এনে দিলেন তাকে। আর কপিরাজও বালিশে মাথা দিয়ে পরম নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পরল। ঘন্টাখানেক ঘুমিয়ে নেওয়ার পর ধীরে ধীরে বেড়িয়ে পরে অলোকাদেবীর বাড়ি থেকে। হয়তো বা আর কারও বাড়ির অতিথি হতে!
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/tzFPJOOBUF8
উত্তরদিনাজপুর